এই গোল চিহ্নিত ফ্লাটে ছিলেন খুব সম্ভবত ইরানের রেভলুশনারি গার্ডের প্রধান।
তাকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূর থেকে টার্গেট করে তাকে হত করা হয়েছে।কোনো প্রকার হেরফের হয়নি। না অন্যকোনো ফ্ল্যাটে আঘাত হেনেছিল, না আঘাত ২ হাজার কিলো দূরত্ব দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। কতটা নিখুঁত প্রযুক্তি চিন্তা করেছেন।
আপনি আমি কেউই কিন্তু নিরাপদ না। নিরাপদ হতে পারেন নাই ইরানের আর্মির সিজিএস (সেনাপ্রধানের পরের সর্বোচ্চ পদ)।
এর আগে এক নিমিষে হিজবুল্লাহর কমান্ডদের ধ্বংস করে ফেলেছিল। শুনে মনে হবে জাদু যে আপনি বহু দূরে বসে কেবল বললেন হও। আর সাথে সাথে হয়ে গেলো উদ্দেশ্য সাধন। জি, পেজার হামলার কথা বলছি।
এই সবকিছু একদিনে হয় নাই। বহুদিন ধরে বাহিনীর কোন কোন সদস্য সত্যিকার অর্থে কার্যকর, তাদের চিন্তা কেমন, কোথায় থাকে, কীভাবে তাদের আক্রমণ করা হবে এই সব তথ্য সংগ্রহ করে এই ঘটনাগুলো ঘটানো হয়েছে।
মেধা, প্রযুক্তি, তথ্য আর স্ট্র্যাটেজির এই অপূর্ব সম্মিলিন দেখে আমাদেরকেও মাথা নাড়িয়ে বলতে হয় যে সত্যিই অপূর্ব।
যোগ্যতা এই লড়াইয়ে সমকক্ষ হবার কোন প্রচেষ্টা আমাদের আছে কি? নাকি আশা করছি পাগলামি, সমালোচনা আর নিজেদের মাঝে ঝগড়া করতে করতে আমরা জিতে যাবো?
